Opu's Profile
Vice Professor
709
Points

Questions
137

Answers
13

  • কেউ হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে গেলে সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনার করণীয় কাজগুলো হলো:
    – প্রথমেই যে কাজটি করতে হবে, তা হলো, অজ্ঞান রোগীর অজ্ঞানের অবস্থার মাত্রা নিরূপণ করা।

    – রোগীর নাম ধরে ডাকুন আর নাম না জানা থাকলে একটু ভরাট ও দরাজ কণ্ঠে বলুন, চোখ খুলে তাকান তো দেখি। এর মাধ্যমে কখনো দেখবেন রোগী একটু চোখ পিটপিট করে তাকাচ্ছে, আবার কখনো চোখ না খুলেই গোঙানির স্বরে বলছে, আমি কোথায়? আবার কখনো বা কোনো ধরনের সাড়া দিতেই ব্যর্থ হচ্ছে।

    -রোগীর নাকের কাছাকাছি একটি হাত নিয়ে অনুভব করতে চেষ্টা করুন, শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে কি না। শ্বাস-প্রশ্বাস চলার ব্যাপারটি বুকের ওঠানামা দেখে এবং নিশ্বাসের শব্দ শুনেও বুঝতে পারা যায়।

    ঠিক এ অবস্থায় আপনাকে কয়েকটি কাজ একসঙ্গে করতে হবে:

    – প্রথমত, অ্যাম্বুলেন্সের জন্য ফোন করুন।

    – দ্বিতীয়ত, জোরে চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে সাহায্যের জন্য ডাকুন।

    – এবং সর্বশেষ আপনি আপনার নিজের সামর্থ্যমতো পূর্ব-অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে রোগীর সাহায্যের জন্য কিছু কাজ করবেন।

    প্রক্রিয়া:

    – রোগীকে সোজা করে শুইয়ে দিন। অজ্ঞান হলে অবশ্যই রোগীকে কাত করে রাখতে হবে। চিত বা উপুড় করে রাখলে রোগীর শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
    – গায়ে শক্তভাবে আটকানো কোনো পোশাক থাকলে তা ঢিলা করে দিন। মনে রাখবেন, শক্ত করে আটকানো একটি বেল্ট বা বক্ষবন্ধনীর জন্য রোগীর শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
    – কোনোভাবেই উঠিয়ে বসানো যাবে না। এ অবস্থায় কোনো খাবার দেওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ। বরং সম্ভব হলে আপনার নিজের আঙুলে রুমাল জড়িয়ে রোগীর মুখে জমে থাকা লালা বের করে দিতে হবে।
    – মাথা পেছনের দিকে কাত করে ধরে থুতনি একটু উঁচু করে ধরুন।
    – এ সময় খিঁচুনিও থাকতে পারে। খিঁচুনি হলে হাত-পায়ের কাছ থেকে আঘাত লাগতে পারে, এমন সবকিছু সরিয়ে নিন। দয়া করে খিঁচুনির রোগীকে জোর করে ধরে রাখার চেষ্টা করবেন না। দ্রুত একপাশ ফিরিয়ে শুইয়ে দিন।

    – পাশাপাশি রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে আনুন, যেমন—আগুন থেকে দূরে নেওয়া, চলমান রাস্তায় অজ্ঞান হয়ে গেলে রোগীকে রাস্তার পাশে নেওয়া, লিফটে অজ্ঞান হওয়া রোগীকে লিফটের বাইরে আনা, বাথরুমে অজ্ঞান হওয়া রোগীকে বাইরে আনা প্রভৃতি কাজ করতে হবে।
    – এ অবস্থায় রোগীর শ্বাসকষ্ট হলে মুখের লালা পরিষ্কার করার পাশাপাশি খেয়াল করে দেখুন, দাঁত ও জিহ্বার অবস্থান কী। যদি জিহ্বা দাঁতের মাঝে আটকা পড়ে অথবা জিহ্বা পেছনের দিকে গিয়ে শ্বাসনালির মুখ আটকে দেয়, তা হলে একটি চামচের উল্টো দিক দিয়ে দাঁতের পাটিকে খুলে রাখা ও জিহ্বাকে যথাস্থানে রাখা সম্ভব।

    – অবস্থা বেগতিক বা অপরিবর্তিত থাকলে হাসপাতালে নিয়ে যান।

    • 911 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • Vice Professor Asked on October 9, 2015 in স্বাস্থ্য.

    দৈনন্দিন জীবনের যে ৮টি অভ্যাস অকালেই আপনার চেহারায় বয়সের ছাপ ফেলছেঃ
    ১। ঠিক মত মেকআপ না তোলা কোথাও বেড়াতে গেলে তো একটু মেকআপ করতেই হয়। কিন্তু মেকআপ করার পর সেটা ঠিক মত তোলা না হলে ত্বকে পরে যায় বলিরেখা। তাই মেকআপ করলে সেটা তোলার ব্যাপারেও যত্নশীল হতে হবে।
    ২। ধূমপান, যাদের ধূমপানের অভ্যাস আছে তাদের ত্বকে দ্রুত বলিরেখা পরে যায়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে যারা ধূমপান করে তাদের ত্বকে অন্যদের চাইতে তাড়াতাড়ি বলিরেখা পরে
    যায়। তাই ত্বক ভালো রাখতে ধূমপান ত্যাগ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।
    ৩। কোল্ড ড্রিঙ্কস, গরম অনেক আগেই এসেছে । আর তাই অনেকেই কিছুক্ষণ পরপর কোল্ড ড্রিঙ্কস খাওয়ার অভ্যাস বানিয়ে ফেলেছেন ইতিমধ্যেই। যাদের অতিরিক্ত কোল্ড
    ড্রিঙ্কস খাওয়ার অভ্যাস আছে তাদের ত্বকে দ্রুত বলিরেখা পরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার অনেকের মদ্যপানের নেশাও থাকে। মদ পান করলে ত্বক খুব দ্রুত বুড়িয়ে যায়।
    ৪। চুইং গাম : মুখে সারাক্ষণ একটি চুইংগাম রাখার অভ্যাসটা অনেকেরই আছে। কিন্তু নিয়মিত চুইংগাম খাওয়ার অভ্যাস থাকলে চোয়াল ও থুতনির আশে পাশের ত্বকে খুব দ্রুত বলিরেখা পরে যায়।
    ৫। সানস্ক্রিন না লাগানো : অনেকেই সানস্ক্রিন লাগানোটাকে খুব বেশি জরুরী মনে করেন না। কিন্তু সানস্ক্রিন না লাগিয়ে রোদে বের হলে ত্বক খুব তাড়াতাড়ি বুড়িয়ে যায়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বকে বলিরেখার সৃষ্টি হয়। তাই রোদের তাপে বের হওয়ার আগে ত্বকে অবশ্যই সানস্ক্রিন লাগিয়ে নেয়া উচিত।
    ৬। ত্বক টানা : গাল ধরে টানাটানি, হাত দিয়ে বসা, ত্বকে অতিরিক্ত হাত দেয়া ইত্যাদি অভ্যাস গুলো ত্বকে বলিরেখা ফেলে দেয়। তাই ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ
    করতে অতিরিক্ত হাত দেয়ার অভ্যাস বন্ধ করার চেষ্টা করুন।
    ৭। গালের উপর ভর দিয়ে ঘুমানো : রাতে আরাম করে ঘুমাতে গিয়ে ডানকাত কিংবা বাম কাতে ঘুমান অনেকেই। কিন্তু গালের উপর ভর দিয়ে ঘুমাতে ঘুমাতে খুব তাড়াতাড়িই ত্বকে
    বলিরেখা পরে যায় এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চিত হয়ে শোয়ার অভ্যাস করুন অথবা শার্টিন কাপড়ের বালিশের কভার ব্যবহার করুন।
    ৮। অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার: আপনি কি মিষ্টি খাবার খেতে ভালোবাসেন? যদি আপনি মিষ্টি প্রিয় হয়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্য দুঃসংবাদ হলো অতিরিক্ত মিষ্টি
    খাবার খেলে ত্বকে দ্রুত বলিরেখা পরে যায়। তাই ত্বকে যৌবন ধরে রাখতে চাইলে মিষ্টি খাবার পরিহার করতে হবে।

    • 908 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • Vice Professor Asked on September 14, 2015 in ইসলাম ধর্ম.

    নাভির নীচে হাত রাখা সুন্নত। ইমাম আবূ হানীফা র. ও
    ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল র. দুজনেই এটাকে সুন্নত
    বলেছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ইমাম আহমদ ছিলেন
    ইমাম শাফেয়ী র. এর ভক্ত ছাত্র। ইমাম শাফেয়ী বুকের
    নীচে হাত বাঁধাকে উত্তম বলেছেন। কিন্তু এতদসত্ত্বেও
    ইমাম আহমদ সেই মতকে পরিহার করে নাভির নীচে হাত
    বাঁধাকে উত্তম আখ্যা দিয়েছেন। তিনি কি হাদীস ছাড়া এটা
    করেছেন ? তিনি তো হাদীসের হাফেজ ছিলেন। যাহোক,
    বুকের উপর হাত বাঁধাকে চার ইমামের কেউই সুন্নত
    বলেননি।
    নাভির নিচে হাত বাধা সম্পর্কে কতিপয় কয়েকটি হাদিস।
    দলিলসহ নিচে দেওয়া হলো
    ১. হযরত ওয়াইল ইবনে হুজর রা. বলেন,
    ﺭﺃﻳﺖ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻭﺿﻊ ﻳﻤﻴﻨﻪ ﻋﻠﻰ
    ﺷﻤﺎﻟﻪ ﻓﻲ ﺍﻟﺼﻼﺓ ﺗﺤﺖ .ﺓﺮﺴﻟﺍ ﺃﺧﺮﺟﻪ ﺍﺑﻦ ﺃﺑﻲ ﺷﻴﺒﺔ
    ﻗﺎﻝ: ﺣﺪﺛﻨﺎ ﻭﻛﻴﻊ ﻋﻦ ﻣﻮﺳﻰ ﺑﻦ ﻋﻤﻴﺮ ﻋﻦ ﻋﻠﻘﻤﺔ ﺑﻦ
    ﻭﺍﺋﻞ
    ﻋﻦ ﺃﺑﻴﻪ ﻭﺇﺳﻨﺎﺩﻩ .ﺢﻴﺤﺻ ﻗﺎﻝ ﺍﻟﺤﺎﻓﻆ ﻗﺎﺳﻢ ﺑﻦ
    ﻗﻄﻠﻮﺑﻐﺎ ﻓﻲ ﺗﺨﺮﻳﺞ ﺃﺣﺎﺩﻳﺚ ﺍﻻﺧﺘﻴﺎﺭ ﺷﺮﺡ : ﺭﺎﺘﺨﻤﻟﺍ
    ﻫﺬﺍ ﺳﻨﺪ ﺟﻴﺪ ﻭﻗﺎﻝ ﺍﻟﺸﻴﺦ ﺃﺑﻮ ﺍﻟﻄﻴﺐ ﺍﻟﺴﻨﺪﻱ ﻓﻲ
    ﺷﺮﺣﻪ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ : ﻫﺬﺍ ﺣﺪﻳﺚ ﻗﻮﻱ ﻣﻦ ﺣﻴﺚ ﺍﻟﺴﻨﺪ
    ﻭﻗﺎﻝ ﺍﻟﺸﻴﺦ ﻋﺎﺑﺪ ﺍﻟﺴﻨﺪﻱ ﻓﻲ ﻃﻮﺍﻟﻊ ﺍﻷﻧﻮﺍﺭ: ﺭﺟﺎﻟﻪ
    ﻛﻠﻬﻢ ﺛﻘﺎﺕ ﺃﺛﺒﺎﺕ ﺍﻫـ
    অর্থ: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে
    নামাযে ডান হাত বাম হাতের উপর রেখে নাভির নীচে রাখতে
    দেখেছি। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, হাদীস নং-৩৯৫৯)।
    এর সনদ সহীহ।

    • 1445 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • জেনে নিন আপনার সন্তানটিকে যৌন নীপিড়ন থেকে সুরক্ষিত রাখার ৮টি উপায়:

    ১। আপনার সন্তানটিকে কোন পুরুষ আত্মীয়ের কোলে বসা থেকে বিরত থাকতে বলুন। চাচা, মামা যেই হোক না কেন! মেয়ে সন্তান হলে পুরুষ যে কারো কাছেই যেতে দেয়া অনুচিত। ছেলে সন্তান হলে কেবল একান্ত ভরসার মানুষদের কাছে যেতে দিন।

    ২। আপনার শিশুটি যখন ২ বছর বয়েসে পা দেবে সেই সময় থেকে বাবা মা হিসেবে তার সামনে পোষাক পরিবর্তন থেকে বিরত থাকুন।

    ৩। কোন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ যাতে আপনার মেয়ের সাথে “আমি ওর স্বামী” বা “ও আমার স্ত্রী” এ ধরনের দুষ্টুমি না করে খেয়াল রাখুন।

    ৪। আপনার সন্তানটি যখন বাইরে খেলতে যাচ্ছে খেয়াল রাখুন কী ধরনের খেলা সে খেলছে। কারণ অনেক সময় বয়েসে বড়দের কাছ থেকে খেলার ছলে যৌন হয়রানির শিকার হতে পারে সে।

    ৫। কোন বিশেষ কারো কাছাকাছি যদি আপনার সন্তান যেতে না চায়, অথবা অতিরিক্ত কৌতুহল দেখায়, খেয়াল রাখুন, হয়তো যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে সে।

    ৬। বয়ঃসন্ধিকালে আপনার সন্তানকে যৌন বিষয় সম্পর্ক সম্পর্কিত ধারণা দিন। নয়ত সে তার আশপাশ থেকে নানা ভুল তথ্য গ্রহণ করবে।

    ৭। ৩ বছর বয়স থেকেই আপনার শিশুকে শরীরের ব্যক্তিগত অংশগুলো নিজে পরিষ্কার করতে শেখান এবং অন্য কেউ যাতে এসব অংশ স্পর্শ না করে সে ব্যাপারে সচেতন করে করে তুলুন।

    ৮। যখন আপনার শিশু কোন পুরুষ আত্মীয় বা অতিথি সম্পর্কে নালিশ করছে, দয়া করে মান সম্মানের চিন্তা করে চুপ করে থাকবেন না। প্রতিবাদ করুন।

    সাবধান থাকুন। আর যদি দুর্ঘটনা ঘটেই যায়, সামাজিক মান সম্মান আর আত্মীয়তার খাতিরে চুপ করে থাকবেন না। প্রতিবাদ করুন দৃঢ়তার সাথে। আপনার কন্যা সন্তানটিকে মাথা উঁচু করে বাঁচতে শেখান।

    • 1243 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • দই খাওয়া অনেকের বেশ পছন্দের হলেও টক দই অনেকেই খেতে চান না। দই বলতে আমরা মূলত বুঝি মিষ্টি বা টক-মিষ্টি দই। কিন্তু স্বাদের দিক থেকে একটু কম হলেও টকদই আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেশ কার্যকরী। এটি মিষ্টি এবং টক-মিষ্টি দইয়ের চাইতে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভালো। প্রতিদিন মাত্র ১ কাপ টকদই খাওয়ার অভ্যাস নানা শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে খুব সহজেই। যদি টকদই এমনি খেতে পছন্দ না করতে পারেন তাহলে এতে কিছু ফল কেটে দিয়ে খেয়ে ফেলুন, এতেও কাজ দেবে।

    ১) উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে

    অ্যামেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের হাই ব্লাড প্রেসার রিসার্চ ২০১২ এর গবেষণায় পাওয়া যায় যারা প্রতিদিন অন্তত ১ কাপ টকদই খান তাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা অন্যান্যদের তুলনায় প্রায় ৩১% কম থাকে।

    ২) ইষ্ট ইনফেকশন প্রতিরোধ করে

    টক দইয়ে রয়েছে ল্যাক্টোব্যাসিলাস অ্যাসিডোফিলাস যা ইষ্ট ধ্বংস করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন মাত্র ৬ আউন্স টকদই দূর করবে ইষ্ট ইনফেকশনের সমস্যা।

    ৩) কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে

    ল্যাক্টোব্যাসিলাস নামক যে ব্যাকটেরিয়া টকদইয়ে রয়েছে তা কোলনে ভালো ব্যাকটেরিয়া বাড়ায় যা কোলনের প্রতিরক্ষায় কাজ করে। এই ভালো ব্যাকটেরিয়া খারাপ মাইক্রোঅর্গানিজম ধ্বংস করে।

    ৪) দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষা

    টকদই ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিনের অনেক ভালো একটি উৎস। এই দুটি উপাদান দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষায় অনেক বেশি সহায়তা করে।

    ৫) হাড়ের সমস্যা দূর করে

    টক দইয়ের ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ আমাদের হাড়ের গঠন মজবুত করতে সহায়তা করে। এবং হাড়ের নানা সমস্যা জনিত রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

    ৬) হজম সমস্যা প্রতিরোধ করে

    টকদই হজমে সহায়তা করে। টকদইয়ের এনজাইম বদহজম প্রতিরোধে সহায়তা করে। এছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে টকদইয়ের জুড়ি নেই।

    ৭) রক্তের কলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণে রাখে

    টকদইয়ে ফ্যাট কম থাকে, এতে করে রক্তের ক্ষতিকর কলেস্টোরল ‘এলডিএল’ কমাতে সাহায্য করে।

    সূত্রঃ top10homeremedies

    • 799 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • দারুণ উপকারী কালিজিরা। তাই একে খাদ্য
    না বলে পথ্য বলাটাই ঠিক। জ্বর, কফ,
    গায়ের ব্যথা দূর করতে কালিজিরা একটা
    দারুণ ঘরোয়া ওষুধ। এতে রয়েছে খিদে
    বাড়ানোর উপাদান। অন্ত্রের জীবাণুকে নাশ
    করে শরীরের জমে থাকা গ্যাসকেও দূর করে
    দিতে কালিজিরার বিকল্প নেই। যারা
    মোটা হতে চান, তাদের জন্য কালিজিরা
    একটা ভালো পথ্য। কাঁচা কালিজিরা পিষে
    খেলে মায়ের দুধ বাড়ে। সন্তান প্রসবের
    পর কাঁচা কালিজিরা পিষে খেলে শিশু দুধ
    খেতে পাবে বেশি পরিমাণে। কালিজিরা
    নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা
    অ্যান্টিসেপটিক। কালিজিরা সহজেই
    শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংস করে দিতে
    পারে। এই অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল
    উপাদানের জন্য দেহের ঘা, ফোঁড়া কম
    সময়েই সারে। শাকের সঙ্গে কালিজিরা
    খাওয়াই রীতি। এতে শিশুদের ক্ষেত্রে
    মেধার বিকাশ ঘটে। দাঁতে ব্যথা হলে
    হালকা গরম জলে কালিজিরা দিয়ে কুলকুচু
    করলে ব্যথা কমে। জিহ্বা, টাকরা বা
    মাড়িতে থাকা খাদ্যের জীবাণু সহজেই মরে
    যায়। ফলে মুখে আর দুর্গন্ধ হয় না।
    কালিজিরা ক্রিমি দূর করতেও পারে।
    তারুণ্য ধরে রাখতে মধ্যপ্রাচ্যে
    কালিজিরা খাওয়াটা দীর্ঘদিনের রীতি।
    কাজ করার শক্তিকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতে
    পারে এই কালিজিরা। সরাসরি খাওয়ার
    থেকে প্রথম প্রথম ভাত বা রুটির সঙ্গে
    কালিজিরা খাওয়াটা অভ্যাস করুন। প্রায়
    দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ
    খাবারের সঙ্গে ‘কালিজিরা’ গ্রহণ করে
    আসছে। কালিজিরার তেলও আমাদের শরীরের
    জন্য নানাভাবে উপকারি। কালিজিরার
    তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান
    আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮
    শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও
    চর্বি। কালিজিরা আয়ুর্বেদীয় , ইউনানী,
    কবিরাজী ও লোকজ চিকিৎসায় ব্যবহার হয়।
    মশলা হিসাবে ব্যাপক ব্যবহার হয়ে থাকে,
    এটি পাঁচ ফোড়নের একটি উপাদান। রসুল
    (সাঃ) বলেছেন, “একমাত্র মৃত্যু ছাড়া সকল
    রোগের ঔষুধ এই কালিজিরা।’’ তাই
    প্রতিদিন অল্প করে ভাত বা রুটির সঙ্গে
    খেতে পারেন কালিজিরা।কালিজিরার
    বৈজ্ঞানিক নাম নাইজেলা সাতিভা।
    নাইজেলা সাতিভাকে আরবি ভাষায় বলা হয়
    হাব্বাত-উল-বারাকা (আশীর্বাদপুষ্ট বীজ)
    এবং ইংরেজিতে বলা হয় লাভ ইন দ্য মিস্ট।
    কালিজিরার তেলের উপকার শরীরের রোগ
    প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ইনসুলিন রোধ
    হ্রাস (এভাবে ডায়াবেটিস কমিয়ে রাখা),
    কাশি ও হাঁপানির উপশম, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি,
    হৃজ্জনিত সমস্যার আশঙ্কা হ্রাস, চুল পড়া
    হ্রাস, ত্বকের সুস্বাস্থ্য, মায়ের দুধের
    পরিমাণ বৃদ্ধি, আর্থাইটিস ও মাংসপেশির
    ব্যথা কমাতে কালিজিরার তেল উপযোগী।
    তবে মনে রাখবেন- কালিজিরার তেল
    গর্ভাবস্থায় গ্রহণ করতে হয় না। প্রায়
    তিন হাজার বছর ধরে চলে আসা গল্পগাথায়
    যে কালিজিরার মহৌষধি গুণের কথা বলা
    হয়েছে, ৫০ বছরে সেই ভাষ্য অর্জন করেছে
    বৈজ্ঞানিকভাবে সম্মতি ও সম্মান।
    কালিজিরা ভর্তা করার নিয়ম- কালিজিরা
    ২ টেবিল চামচ, রসুনের কোয়া ১ টেবিল
    চামচ৷ পেঁয়াজকুচি আধা টেবিল চামচ, লবণ
    স্বাদ অনুযায়ী, সরিষার তেল ১ চা
    চামচ৷একটি পাত্রে তেল গরম করে এতে সব
    উপকরণ একসঙ্গে দিয়ে ভালো করে টেলে
    নিন৷ কালিজিরা টালা হলে পাটায় মিহি
    করে বেটে নিন৷ সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
    কালিজিরার শরবত-উপকরণ- কালিজিরা ১
    টেবিল চামচ,পানি ৫ কাপ,চিনি ১ কাপের
    ৪ ভাগের ৩ ভাগ, লবণ সামান্য এবং শুকনা
    মরিচ ১টি।কালিজিরা ও শুকনা মরিচ মিহি
    করে বেটে নিন। বাটা কালিজিরা, লবণ,
    চিনি, পানি একসঙ্গে মিশিয়ে চামচ দিয়ে
    ভালোভাবে নাড়ুন। ২০ মিনিট ফ্রিজে রেখে
    দিন। ফ্রিজ থেকে নামিয়ে গ্লাসে ঢেলে
    ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন।

    • 817 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • Vice Professor Asked on August 21, 2015 in যৌন স্বাস্থ্য.

    অল্পতেই বুড়িয়ে যাওয়া কেউই পছন্দ করেন না। একটু বয়স বাড়তে না বাড়তেই যখন ত্বকে পড়ে বয়সের ছাপ এবং দেহের বিভিন্ন অংশে দেখা দেয় বয়সজনিত সমস্যা তখন অনেকেই আফসোস করেন, ‘যৌবনটা আরও কিছুদিন যদি ধরে রাখা যেতো’। কিন্তু আফসোস করে কোনো কিছুই ফিরিয়ে আনা সম্ভব না। তাই সতর্ক হওয়া উচিত তরুণ বয়স থেকেই। সতর্কতার সাথে নিয়মিত কিছু উপায় মেনে চললে অনেকটা সময় ধরে রাখতে পারবেন যৌবন। বয়স হলেও দেহে ও ত্বকে বয়সের ছাপ পড়বে বেশ দেরিতে। জানতে চান সেই গোপন উপায় গুলো? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক।
    ১) মাছের তেল

    মাছের তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যা দেহে বয়সের ছাপ রুখে দিতে সক্ষম। এই ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করেন, কার্ডিওভ্যস্কুলার সিস্টেম ঠিক রাখে, চুলের সুস্থতা বজায় রাখে এবং ত্বকে বয়সের ছাপ রোধ করে। সুতরাং আপনি দেখতে যেমন তরুণ দেখাবেন তেমনই আপনার দেহও তারুণ্য অনুভব করবে। আপনি ভালো কোনো মাছের তেল পরিমিত খেতে পারেন নতুবা সপ্তাহে অন্তত ৩-৪ দিন মাছ রাখুন খাদ্যতালিকায়।
    ২) চিনিকে না বলুন

    ডারমাটোলজিস্ট আভা সাম্ভান বলেন, ‘প্রসেসড চিনি, যা আমরা হরহামেশা খাই তা আমাদের ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার জন্য দায়ী। কারণ, প্রসেসড চিনি আমাদের ত্বকের কোলাজেন টিস্যু দুর্বল করে এবং ত্বকের ইলাস্টিসিটি নষ্ট করে দেয়’। সুতরাং চিনিকে একেবারেই না বলুন।
    ৩) পরিশ্রম করুন

    চলাফেরা, হাঁটাহাঁটি, শারীরিক ব্যায়াম যেভাবেই হোক না কেন পরিশ্রম করুন নিজের তারুণ্য ধরে রাখার জন্য। শারীরিক পরিশ্রম পুরো দেহের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, পুরো দেহে সঠিক উপায়ে অক্সিজেনের সরবরাহ করে। এতে আমাদের দেহের প্রায় প্রতিটি কোষ সজীব হয় এবং আমাদের দেহ অনেক সুঠাম হয়। দেহে বার্ধক্য জনিত সমস্যা অনেক কম দেখা দেয়।
    ৪) তিলের তেল

    মে ফ্লাওয়ার ইন অ্যান্ড স্পা এর ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর এবং মালিক লিসা হেডলি বলেন, ‘প্রতিদিন সকালে তিলের তেল পুরো দেহের ত্বকে ম্যাসেজ করলে শুধু ত্বকই হাইড্রেট হয় না এর পাশাপাশি রক্ত সঞ্চালনও বৃদ্ধি পায়। এরপর ভালো করে গোসল করে নিলে ত্বকের মরা কোষ দূর হয় এবং ত্বক থাকে তরুণ অনেকটা সময় ধরে।
    ৫) গ্রিন টী

    চা/কফি কমবেশি সকলেই পান করে থাকেন। কিন্তু যদি তারুণ্য ধরে রাখতে চান দেহে এবং ত্বকে তাহলে এর পরিবর্তে পান করা শুরু করুন গ্রিন টী। গ্রিন টীর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান পরিপাকতন্ত্র সুস্থ রাখে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ত্বকে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করে।
    ৬) মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকুন

    মানসিক চাপের কারণে ত্বকে বিশেষ করে মুখের ত্বকে রিংকেল পড়তে দেখা যায়। এছাড়াও চুল পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ ধরা হয় মানসিক চাপকে। মানসিক চাপ শুধুমাত্র ত্বকেই বয়সের ছাপ ফেলে না এটি আপনার দেহকেও বুড়িয়ে ফেলে। মানসিক চাপ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করার বেশ বড় একটি কারণ। এছাড়া অনেকেই মানসিক চাপে পড়লে শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন। তাই মানসিক চাপ থেকে যতোটা সম্ভব দূরে থাকুন।

    • 912 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • Vice Professor Asked on August 19, 2015 in স্বাস্থ্য.

    গবেষকদের মতে চুম্বন শরীরের জন্যও বেশ উপকারী। উদাহারণস্বরূপ ধরুন আপনি খুব মানসিক চাপে আছেন কোনো কিছু নিয়ে। এই সময়ে ভালোবাসার মানুষটির একটি চুম্বনেই আপনার মানসিক চাপ অনেকখানি কমে যাবে। নিয়মিত চুম্বনে মানুষের যৌবনও বৃদ্ধি পায়। শারীরিক অনুশীলন করার মতোই চুমু শরীরে হ্যাপি হরমোন নিঃস্বরণ করে। যা আপনাকে অতিরিক্ত খাওয়া থেকে নিরুৎসাহিত করে এবং আপনার শারীরিক মাপ ঠিক রাখে। এ ছাড়াও চুমু আপনার হৃৎপিণ্ডের জন্য ভালো এবং এটা আপনার দাঁতের ক্ষয়রোধ করে। আসুন জেনে নিই চুম্বনের শারীরিক উপকারিতাগুলো।

    মানসিক চাপ কমায়ঃ চুমু খাওয়ার ফলে তা আপনার মন থেকে ডজনখানেক সমস্যার চিন্তা দূর করে দেয়। বৈজ্ঞানিকভাবে বলতে গেলে চুমু খাওয়ার ফলে শরীরের অক্সিটসিনের মাত্রা বেড়ে যায়। এটি শরীরের শান্ত করার রাসায়নিক। এ ছাড়াও চুমুর ফলে আপনি গভীরভাবে শ্বাস নিতে পারবেন, যা শরীরকে রিলাক্স হতে সহায়তা করবে।

    তারুণ্য ধরে রাখবেঃ চুমুর ফলে মুখের প্রায় ৩০টি পেশির উদ্দীপনা হয়। এ ছাড়াও এর উপকারিতার মধ্যে রয়েছে আপনার কপালের ত্বক থেকে শুরু করে চোয়ালের মসৃণতা তৈরি পর্যন্ত। আপনার তারুণ্য অনুভব করতে এটি যেমন সাহায্য করবে তেমনি আপনাকে তা তরুণ দেখাতেও সাহায্য করবে। মুখের রক্তচলাচল বেড়ে যাওয়ায় এর মাধ্যমে আপনার মুখের দ্যুতি বেড়ে যায় এবং বয়সের কারণে সৃষ্ট মুখের বলিরেখা কমায়।

    ক্যালোরি ক্ষয়ঃ আপনি যদি মনে করেন,শুধু জিম করা বা দৌড়ানোর মাধ্যমে দ্রুত শরীরের কিছু ক্যালোরি ক্ষয় করা যাবে,তাহলে আপনি ভুল করছেন। কারণ বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে প্রায় ২ মিনিট ধরে চুম্বন করলে অন্তত ৬ ক্যালোরি ক্ষয় হয়। চুম্বনে মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়, তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চুম্বনের জুড়ি নেই। এ কারণে আপনি যদি দৈনন্দিন ফিটনেসের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রাখেন ‘চুমু’কে তাহলে তা খুবই কার্যকর হবে।

    দাঁতের ক্ষয়রোধঃ চুমুও দাঁত ও মুখের সুস্বাস্থ্যের জন্য ভালো। চুমু খাওয়া দাঁতের জন্যও উপকারী। চুম্বনের সময় মুখের সালাইভা ফ্লো বাড়ে এবং এর ফলে দাঁত পরিষ্কার হয় ও ভালো থাকে। এটি অ্যাসিডের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়,খাবারের কণাগুলো সরিয়ে দেয় এবং দাঁতের ক্ষয়রোধ করে।

    হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখেঃ চুমু খাওয়ার সময় কখনো আপনার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে আর বেড়ে যেতে পারে হৃৎস্পন্দন। এতে হৃৎপিণ্ডের ব্যায়াম হবে। এ ছাড়াও এর মাধ্যমে আরো কয়েকটি উপকার হয়। যেমন এটি আপনার হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন নিয়মিত হতে সাহায্য করে,রক্তচাপ ও রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এ কারণে চুমুর মাধ্যমে সুস্থ ও স্বাভাবিক হৃৎপিণ্ড বজায় রাখা সম্ভব।

    ইনসমনিয়া সারায়ঃ যারা চুমু খেতে ভালোবাসেন এবং নিয়মিত চুমু খান তাদের ইনসোমনিয়ার সমস্যা হয় না। অন্যদের তুলনায় তারা মানসিকভাবে স্থির প্রকৃতির হয়।

    জীবন সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণাঃ গবেষকদের মতে যারা নিয়মিত চুম্বন করে জীবন সম্পর্কে তাদের ধারণা বেশ ইতিবাচক। এসব যুগল অন্যদের তুলনায় বেশি দীর্ঘ ও সুস্থ্ জীবন যাপন করে।

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়েঃ নিয়মিত চুম্বনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং দাম্পত্য সম্পর্ক আরো মজবুত হয়।
    নিয়মিত চুম্বনকারী দম্পতিরা অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ও সুখী হয়। চুম্বনের সময় শরীর সুখাঅনুভূতির হরমোন তৈরি করে। যার ফলে তারা অন্যদের থেকে বেশি প্রশান্তিতে থাকে এবং যে কোনো লক্ষ্য সহজেই অর্জন করতে পারে।

    মেজাজ ফুরফুরে থাকেঃ চুম্বন করলে মেজাজ ফুরফুরে থাকে। প্রতিদিন সকালে মাত্র ২ মিনিট চুম্বন করলে সারা দিন আপনার মন-মেজাজ উত্ফুল্ল থাকবে।

    দুটি মানুষের ভালোবাসা প্রকাশের এই মাধ্যমে শরীরের নানান উপকারীতা লুকিয়ে আছে। চুম্বনকে মনের খোরাকের পাশাপাশি শরীরের খোরাকও বলা যেতে পারে। তাই ভালোবাসার মানুষটিকে চুম্বন করে সুস্থ, দীর্ঘ ও সুখী জীবন লাভ করুন।

    • 816 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • Vice Professor Asked on August 13, 2015 in ইসলাম ধর্ম.

    জিনাহের গুনাহ ক্ষমার অযোগ্য। তবে, খাসদেলে তাওবা-ইস্তাগফার করলে আল্লাহ চাইলে ক্ষমা করে দিতে পারেন।

    • 880 views
    • 1 answers
    • 0 votes
  • আত্মহত্যা করা ইসলামে মহাপাপ। আত্মহত্যার শাস্তি জাহান্নাম।
    পবিত্র কুরআনে এসেছেঃ “আর
    তোমরা নিজেদের হত্যা করো না।
    নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের
    প্রতি দয়ালু। এবং যে কেউ জুলুম করে, অন্যায়ভাবে তা (আত্মহত্যা) করবে,
    অবশ্যই আমি তাকে অগ্নিদগ্ধ করবো, আল্লাহর পক্ষে তা সহজসাধ্য”।
    (সূরা আন-নিসা, আয়াতঃ ২৯-৩০)

    • 1005 views
    • 1 answers
    • 0 votes