দাঁতগুলোকে আরো সাদা করার উপায় কি?
দাঁতগুলোকে আরো সাদা করার উপায় কি?
যাদের রেড ওয়াইন, কোমল পানীয়, চা, কফি খাবার খুব অভ্যাস তাদের দাঁত ঝকঝকে সাদা থাকবে, এমনটা আশা না করাই ভালো। এই উপাদানগুলো আলগোছে আস্তে ধীরে দাঁতে দাগ ফেলে দেয়। আর হালকা দাগ এক সময় হয়ে ওঠে গাঢ়, স্থায়ী হিসেবে বসে যায় দাঁতে। তাই এ খাবারগুলো এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। তারপরও যদি খেতেই হয় খাওয়া শেষে করে ফেলুন দাঁত ব্রাশ।
দাঁত মাজার ব্রাশটি কেমন হবে এ নিয়ে অনেকেরই জিজ্ঞাসা থাকে। খুব সহজ কথায় নরম ব্রিসেলের যে কোন ব্রাশই ব্যবহার করা যেতে পারে। মাজতে হবে আস্তে ধীরে সঠিক পদ্ধতিতে। আর একটি ব্রাশ দিয়ে টানা অনেকদিন দাঁত ব্রাশ করা একদমই উচিত না। পুরানো ব্রাশ ব্যাকটেরিয়া ডেকে আনে। দাঁতও পরিস্কার হয় না ঠিকমতো। তাই প্রতি এক থেকে দেড় মাস অন্তর দাঁত মাজার ব্রাশটি পরিবর্তন করে ফেলুন। বারে বারে পরিবর্তন করতে হয় বলে ব্রাশটি হোক না হয় কম দামের। কিন্তু দাঁত মাজুন পরিষ্কার ব্রাশে।
দাঁত সাদা রাখতে ব্যবহার করতে পারেন বেকিং সোডা। ভ্র বাঁকালেন তো? সত্যি কথা বলতে কি দাঁত সাদা রাখতে সপ্তাহে অন্তত এক দিন বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত মেজে নিন। দাঁত হবে সাদা, আরো উজ্জ্বল। তবে দাঁত মাজার সময় বেকিং সোডা গিলে ফেলাটা কিন্তু একদমই বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।
মাঝে মধ্যে খানিকটা লবন দিয়ে দাঁত ব্রাশ করে ফেলুন না। পেস্ট দিয়ে যেমন করে দাঁত ব্রাশ করেন ঠিক সেভাবে। তাতে দাঁতের উজ্জ্বলতা বাড়বে। সঙ্গে বাড়বে মুখের সৌন্দর্য। তবে যাদের উচ্চ রক্ত চাপ আছে তারা লবন দিয়ে দাঁত ব্রাশ করা একদমই পরিহার করুন।
সকালে দাঁত ব্রাশের আগে আপেল সিডার ভিনেগার দিয়ে কুলিকুচি করুন নিয়মিত। এই ভিনেগার কিন্তু দাঁতের লালচে দাঁগ দূর করে দাঁতকে সাদা করতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে দাঁত ও মাড়ির ব্যাকটেরিয়াও দূর হব এতে।
আপেল কে বলা হয় প্রাকৃতিক টুথ ব্রাশ। কোন কারনে দাঁত ব্রাশ করতে ভুলে গেলে একটি আপেল খেয়ে নিন। গাজর কিংবা পপ কর্নও দাঁত পরিষ্কারে ভূমিকা রাখে। তাই এই খাবারগুলো ভূরিভোজের শেষের দিকেই রাখুন।